সিলেট

সিলেটে বালুভর্তি ট্রাকে মিলল পৌনে ৮ লাখ টাকার চোরাই পণ্য, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক · সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ · সন্ধ্যা ৭:৩৫ · ১৭১ ভিউ

সিলেটে বালুভর্তি একটি ট্রাকে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা প্রায় পৌনে ৮ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই পণ্যসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকটিও জব্দ করা হয়।

রোববার (০২ নভেম্বর) ভোরে সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে অভিযান চালিয়ে এই পণ্য জব্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম মো. আবুল কাশেম (৪৮)। তিনি নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ফতেপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মমিনের ছেলে। বর্তমানে তিনি ঢাকার কদমতলী থানার রায়েরবাগ এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে এয়ারপোর্ট থানার এসআই অর্জুন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কেওয়াছড়া ব্রিজ সংলগ্ন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কে নিয়মিত চেকপোস্ট পরিচালনা করছিল। এ সময় পাথর ও বালুবাহী একটি টাটা খোলা ট্রাককে (ঢাকা মেট্রো-ট-২২১২০৯) থামার সংকেত দেয় পুলিশ। কিন্তু ট্রাকটির চালক সংকেত অমান্য করে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া করে গাড়িটি আটকে সক্ষম হয় এবং ট্রাকে থাকা আবুল কাশেমকে আটক করে।

পরবর্তীতে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে বালুর নিচে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় গার্ডোর সাফারি (Safari) চকলেট, সোবিসকো (Sobisco) বিস্কুট, বেঞ্জো (Benzo) চকলেট, নেসলে মাঞ্চ চকলেট, ক্লাসিক সোনপাপড়ি ও আমুল কুল জুস। জব্দকৃত এসব চোরাই পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ টাকা।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫-বি(১)(বি)/২৫-ডি ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-০৪)। জব্দকৃত ট্রাক ও মালামালসহ গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। চোরাচালানবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

সম্পর্কিত সংবাদ