মৌলভীবাজার

বড়লেখা সীমান্তে বিজিবি-চোরাকারবারি গোলাগুলি, পিস্তল-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

মনসুর আহমদ
মনসুর আহমদ
বড়লেখা প্রতিনিধি · শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ · রাত ৮:৪৭ · ১৭৬ ভিউ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার লাতু-কুমারশাইল সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবির গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড .২২ বোরের গুলি এবং ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে লাতু-কুমারশাইল সীমান্ত এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, ভারতীয় একটি চোরাকারবারি চক্র লাতু-কুমারশাইল সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র সরবরাহের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করছে। খবর পেয়ে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি)-এর একটি বিশেষ টহলদল সীমান্তের দুর্গম এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়।

একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা ওই এলাকায় পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা তাদের থামার সংকেত দেন। বিজিবির দাবি, এ সময় চোরাকারবারিরা সদস্যদের ওপর হামলা করলে আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরা গুলি চালান। গোলাগুলির একপর্যায়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক হন।

পরে আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড .২২ বোরের গোলাবারুদ ও ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

বিজিবির প্রাথমিক ধারণা, আটক ব্যক্তি সীমান্তবর্তী একটি চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদক বাংলাদেশে সরবরাহের উদ্দেশ্যে ভারত থেকে আনা হয়েছিল বলেও ধারণা করছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

এদিকে, গোলাগুলির পর পালিয়ে যাওয়া চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আটকের জন্য বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক (সিও) মোহাম্মদ আতাউর রহমান সুজন বলেন, সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সম্পর্কিত সংবাদ