সিলেট

সিলেটে চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিরাজ করছে: ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
একুশে সিলেট · মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ · সন্ধ্যা ৬:৫৩ · ১৭১ ভিউ

শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমীতে সিলেট নগরীর দাড়িয়াপাড়াস্থ ঐতিহ্যবাহী চৈতালী সংঘের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মিনী।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১০টায় মণ্ডপে পৌঁছালে তাঁদেরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চৈতালী সংঘ ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

পরিদর্শনকালে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি সম্প্রীতি, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। সিলেটের চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের এই প্রাণবন্ত পরিবেশ আমাকে মুগ্ধ করেছে।

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের সংস্কৃতি এবং ইতিহাস গভীরভাবে সম্পর্কিত। এ ধরনের সর্বজনীন উৎসব দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্য, মৈত্রী ও পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও সুদৃঢ় করে।” এ সময় তিনি চৈতালী সংঘের বর্ণাঢ্য আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং উপস্থিত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে উৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা কয়লা ও পাথর আমদানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক মো. আতিক হোসেন, সিলেট লায়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ইঞ্জিনিয়ার আবু তাহের এবং লায়ন্স ক্লাব অব সিলেট হলি সিটির সাবেক সভাপতি লায়ন সাজুওয়ান আহমদ।

এ সময় চৈতালী সংঘের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা সুজিত দে, বিশেষ উপদেষ্টা গোবিন্দ রায় ও রতন বণিক, উপদেষ্টা উত্তম চৌধুরী ও নিহার রঞ্জন দাস বাচ্চু, সভাপতি অ্যাডভোকেট অশেষ কর, সহ-সভাপতি গৌতম বণিক ও মদন মোহন কর্মকার, সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্মল রায় রাজা, অর্থ সম্পাদক পংকজ দাস, পূজা অর্চনা ও পরিচালনা উপ-পরিষদের আহ্বায়ক বিপ্রজীত দত্ত বিরাজ, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশাল রুদ্র সেন এবং প্রসাদ বিতরণ উপ-পরিষদের আহ্বায়ক কেশব সেনসহ কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ চৈতালী সংঘের সাধারণ সম্পাদক চন্দন সাহার বাসভবনে এক সৌজন্য চা-চক্রে মিলিত হন।

উল্লেখ্য, বর্ণিল আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন আবহে সাজানো ঐতিহ্যবাহী এই পূজামণ্ডপে মহাঅষ্টমীতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, আরাধনার পাশাপাশি সমাজে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

সম্পর্কিত সংবাদ