সর্বশেষ :
বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে পরীমনির ‘মজা’ পুশ ইনে এত আগ্রহ থাকলে শুভেন্দুকে পাঠিয়ে দিন, তার বাড়ি বরিশাল প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে সমালোচনায় ট্রুডো নগরীর প্রত্যেকটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা সম্প্রসারণ করছি: সিসিক প্রশাসক কয়েস লোদীসহ দেশের ৮ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব গ্রহণ শাপলা ট্র্যাজেডি থেকে পরীমণি: গত এক দশকে বেনজীর ছিলেন সমালোচনা ও বিতর্কের কেন্দ্রে মৌলভীবাজারের শিক্ষার্থী সাজ্জাদুলের উদ্ভাবনের প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ উইকেটে হার বাংলাদেশের গোলাপগঞ্জে হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা জিলু পুলিশের জালে ৪ থানার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ রাজু এবার বিশ্বনাথ পুলিশের জালে, রয়েছে ১৩টি মামলা!

হবিগঞ্জে ৯ জনকে গুলি করে হত্যার মামলায় ওসি দেলোয়ার গ্রেফতার

হবিগঞ্জে ৯ জনকে গুলি করে হত্যার মামলায় ওসি দেলোয়ার গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার, হবিগঞ্জ

ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ৯জনকে হত্যার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন হবিগঞ্জের বানিয়াচং থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন। বুধবার পুলিশের রংপুর রেঞ্জ অফিসে পরিদর্শক পদে কর্মস্থল থেকে রংপুর জেলা ডিবি তাকে গ্রেফতার করে।

নাইন মার্ডার মামলার সাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা, বানিয়াচং থানার সাবেক পরিদর্শক মো. আবু হানিফ বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৩টায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতারের পরে সেখান থেকে তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ওসি দেলোয়ার বানিয়াচং থানায় কর্মরত ছিলেন। সেদিন বেলা ১১টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাগরদিঘীর পশ্চিমপাড় ঈদগাহ মাঠ থেকে একটি মিছিল বের করে।

গ্যানিংগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ শেষে মিছিলকারী চার-পাঁচ হাজার লোক বড়বাজার শহীদ মিনারে গিয়ে জড়ো হন। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন মিছিল নিয়ে থানার সামনে গেলে পুলিশের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। আন্দোলনকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় পুলিশ রাবার বুলেট, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলেই চারজনসহ সাতজন নিহত হন।

তখন চিত্র ধারণ করতে গেলে বিক্ষুব্ধরা এক সাংবাদিককে পিটিয়ে হত্যা করে। মোট মৃতের সংখ্যা হয় আট। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা থানার উপ-পরিদর্শক সন্তোষ চৌধুরীকে ছিনিয়ে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। পরদিন গুলিবিদ্ধ আরেকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত নয়জনের পরিবারের পক্ষ থেকে ও এসআই সন্তোষ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা দুটি মামলা করা হয়। পরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের হয়। এ মামলায় ইতোমধ্যে ৩০ জনের বেশি লোক ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff