সিলেট

মদিনা মার্কেটের ঘটনা

তদন্তে নির্দোষ সজিব-রাব্বানী-রাসেল, গিয়াস ও রিপন বহিষ্কৃত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
একুশে সিলেট · রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ · ৯:১২ পিএম · ৩৪৩ ভিউ

সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের দাম নিয়ে সংঘটিত মারামারির ঘটনায় গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ খান সজিব ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানীসহ তিনজনকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা পাওয়ায় ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিনকে দল থেকে বহিষ্কার এবং মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীকে বহিষ্কারের সাংগঠনিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯ মার্চ মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের দাম নিয়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল তাৎক্ষণিকভাবে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ খান সজিব, সদস্য গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানকে বহিষ্কার করেছিল।

পরবর্তীতে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সিলেট মহানগর বিএনপি ২ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির সদস্যরা ছিলেন— সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহিয় চৌধুরী সুহেল ও মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম চৌধুরী।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই দিনের ঘটনাটি মূলত গরুর মাংসের দাম নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও মহানগর যুবদল নেতা রিপন চৌধুরীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে মারামারিতে রূপ নেয়। তদন্তে আজিজ খান সজিব, রাসেল আহমদ খান ও গোলাম রব্বানীর কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপরাধে গিয়াস উদ্দিনকে ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি পদ থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সাথে মহানগর যুবদল নেতা রিপন চৌধুরীকে বহিষ্কার করার জন্য মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ জানান, জাতীয়তাবাদী দল কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপরাধকে প্রশ্রয় দেয় না। প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং যারা নির্দোষ তাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ