সিলেট

মৃত্যুফাঁদ সিলেট-তামাবিল সড়ক

জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
জাহিদুল ইসলাম জাহিদ
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি · শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬ · রাত ৮:৪০ · ১৭২ ভিউ

সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক যেন দিন দিন পরিণত হচ্ছে ‘মরণফাঁদে’। প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন যাত্রী ও পথচারীরা, আহত হচ্ছেন অনেকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

জানা গেছে, পর্যটন স্পট জাফলং, লালাখাল এবং ভারতের শিলং যেতে আসতে হাজার হাজার পর্যটক যাতায়াত করেন এই পথে । তাছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের একমাত্র পথ জৈন্তা সড়ক। কিন্তু দীর্ঘ দিন থেকে সড়কটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছেন না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হাইওয়ে পুলিশও নির্বিকার।

স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা গেছে, সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চলাচলকারী কিছু যানবাহনের চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকা, অদক্ষতা ও অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি অনেক যানবাহনের ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

সচেতন মহলের মতে, মহাসড়কে চলাচলকারী সব গেইটলক ও লোকাল বাসসহ গণপরিবহনের ফিটনেস, চালকের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও দক্ষতা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেপরোয়া গতি, ওভারটেকিং এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তারা বলেন, শুধু দুর্ঘটনার পর ব্যবস্থা নিলে হবে না; দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আগে থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি, যানবাহনের কাগজপত্র ও ফিটনেস পরীক্ষা এবং চালকদের লাইসেন্স যাচাইয়ের পাশাপাশি ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কটিতে নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগে ঘাটতি থাকলে দুর্ঘটনার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে প্রাণহানি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সচেতন মহল সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, চালকের দক্ষতা ও বৈধতা যাচাই, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিতকরণ এবং বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হলে দুর্ঘটনা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

সম্পর্কিত সংবাদ