সিলেট

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: মামলা দ্রুতবিচার আদালতে নেওয়ার দাবি সিসিক প্রশাসকের

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
একুশে সিলেট · বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬ · রাত ১০:২৫ · ১৯৪ ভিউ

সিলেট নগরীর রায়নগরে প্রবীণ ব্যবসায়ী ও দম্পতিসহ তিনজনকে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে মামলাটি দ্রুতবিচার আদালতে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এই দাবি জানান। মিতালী আবাসিক এলাকা সমাজকল্যাণ সমিতি ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর যৌথ উদ্যোগে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক আব্দুস সাত্তার একজন অত্যন্ত স্বনামধন্য ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর এবং তাঁর পরিবারের ওপর এমন বর্বরোচিত ও নৃশংস হামলা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই ঘটনায় পুরো নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করায় আমি সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই। তবে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা। আমি মনে করি, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে এই মামলাটি দ্রুতবিচার আদালতের মাধ্যমে পরিচালনা করা উচিত। এতে করে দোষীরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি পাবে এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

সিসিক প্রশাসক তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কারও ইন্ধন বা কেউ জড়িত আছে কি না, তা নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। একজন অপরাধীও যেন আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে না পারে।

মানববন্ধনে মিতালী আবাসিক এলাকার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রবীণ এই দম্পতির ওপর যে ধরনের পাশবিকতা চালানো হয়েছে, তার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

উল্লেখ্য, গত বুধবার সকালে নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসায় আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম ও গৃহকর্মী তাহমিনাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘাতক বাবুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ