সিলেট

তামাবিল মহাসড়কে গেইটলক বাসের ধাক্কায় পর্যটক কিশোরী নিহত, মা আহত

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি
প্রতিবেদক · সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ · রাত ৮:০৬ · ২৮৯ ভিউ

সিলেটের জৈন্তাপুরে তামাবিল মহাসড়কে গেইটলক বাসের ধাক্কায় নুসরাত (১৭) নামে এক পর্যটক কিশোরী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় তার মা ইতি আক্তার (৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের দিকে তামাবিল মহাসড়কের পানিছড়া এলাকায় হরিপুর গ্যাসফিল্ডসংলগ্ন ইয়াকুব আলী চেয়ারম্যানের বাড়ির গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নুসরাত ঢাকার কদমতলী থানার ১৭৮, পূর্ব ধোলাইপাড় এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আব্দুল মতিন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুসরাত ও তার মা ইতি আক্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে (সিলেট-খ-১২-৫৯৭৮) জাফলংয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে সিলেটগামী একটি গেইটলক বাস (সিলেট-ব-১১-০০১৪) অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং নুসরাত ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত হন তার মা ইতি আক্তার।

পরে স্থানীয়রা আহত ইতি আক্তারকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ ও তামাবিল হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, তামাবিল মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে অনেক যানবাহন বেপরোয়া গতিতে চলাচল করছে। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে সিলেট-তামাবিল সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া ও দ্রুতগতির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ