সর্বশেষ :
জাফলংয়ে যুব সমাজের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক এক, পুলিশের কাছে সোপর্দ জামালগঞ্জে ৫ বছর ধরে রাস্তার পাশে ঝুপড়িতে বৃদ্ধ দম্পতির মানবেতর জীবন সুরঞ্জিত হত্যা চেষ্টা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস বাবর-আরিফ-গৌছ সোনাই নদীতে আইনি দুর্বলতায় পার পেয়ে যাচ্ছে বালুখেকোরা, কার্যকরের তাগিদ ‘মোবাইল কোর্ট’ সিলেটে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ ডিসি সারওয়ার আমাদের চোখ খুলে দিয়েছেন: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী দেশজুড়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন ২৮ জুন যুক্তরাজ্যের হাল এন্ড ইস্ট রাইডিং যুবদলের সভাপতি হলেন সিলেটের গোলাম রাব্বি শাল্লায় হাওর রক্ষা বাঁধের টাকা না পেয়ে বিপাকে কৃষকরা জৈন্তাপুরে ১১ লাখ টাকার ভারতীয় কম্বল জব্দ, গ্রেফতার ২

সুরঞ্জিত হত্যা চেষ্টা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস বাবর-আরিফ-গৌছ

সুরঞ্জিত হত্যা চেষ্টা মামলার রায়: একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস বাবর-আরিফ-গৌছ

একুশে সিলেট ডেস্ক

সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত-কে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং সাবেক হুইপ জি কে গৌছসহ বাকি ৯ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন জানান, মামলার একমাত্র দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আজিজ নাঈমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য সব আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তার ভাইকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে এবং তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। কারাগারে নেওয়ার সময় আজিজ নাঈমকেও অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

অন্যদিকে খালাসপ্রাপ্ত বিএনপির তিন নেতা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছিল। মামলার এজাহারে তাদের নাম না থাকলেও পরবর্তীতে সম্পূরক চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আদালতের রায়ে সত্যের বিজয় হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে একের পর এক মামলায় তাকে জড়ানো হয়েছিল। দীর্ঘ কারাভোগের পর আদালতের এই রায়ে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

জি কে গৌছ বলেন, এ মামলার কারণে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন কারাগারে বন্দি থাকতে হয়েছে। আদালতের রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার ১০ আসামির মধ্যে ছয়জন কারাগারে, তিনজন জামিনে এবং একজন পলাতক ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় জামিনে থাকা আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গৌছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ জুন সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। হামলায় যুবলীগের এক কর্মী নিহত এবং অন্তত ২৯ জন আহত হন। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

ঘটনার পর দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর আরিফুল হক চৌধুরী, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২২ বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff