সর্বশেষ :
যুক্তরাষ্ট্রে সিলেটের সাংবাদিক ফররুখ চৌধুরীর দুই ছেলের কৃতিত্ব অর্জন সিলেট সীমান্তে গোলাগুলি : বিজিবির নজরদারি বৃদ্ধি, সতর্ক থাকার নির্দেশ অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি পরিবারে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি, স্ত্রী-দুই সন্তান হত্যায় স্বামী আটক বড়লেখা সীমান্ত এখন জঙ্গি-চোরাকারবারিদের নিরাপদ রুট – বিস্ফোরক মন্তব্য এমপি মিঠুর তুচ্ছ ঘটনায় উত্তপ্ত শ্রীমঙ্গল, সাংবাদিকসহ ১৬ জন আহত জননিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ‘পাগলা ঘণ্টা’ বাজাবে সরকার সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে বিজিবির পাল্টা গুলি পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ ধর্মপাশায় হাওরের পানির নিচে থাকা নলকূপ থেকে উঠছে গ্যাস, উৎসুক জনতার ভিড়

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ‘পাগলা ঘণ্টা’ বাজাবে সরকার

চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ‘পাগলা ঘণ্টা’ বাজাবে সরকার

একুশে সিলেট ডেস্ক

রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম’ বা ‘পাগলা ঘণ্টা’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নিরাপত্তা সহায়তা নিশ্চিত করা এই উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারে (সিএমএসডি) ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে একটি করে ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘পাগলা ঘণ্টা’ বা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম চালু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদারে ‘কোড ব্লু’ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। পাশাপাশি মহাখালী এলাকায় স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে কেন্দ্র করে একটি পৃথক পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার পর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে ১০টি জেলা সদর হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটের জন্য একটি করে শিশু ভেন্টিলেটর এবং পাঁচটি করে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর বিতরণ করেন মন্ত্রী। এসব হাসপাতালে শিগগিরই আইসিইউ সেবা কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।

যেসব সদর হাসপাতালে এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সেগুলো হলো টাঙ্গাইল, সুনামগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, যশোর, মাদারীপুর, বাগেরহাট, চুয়াডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল। আর ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কোভিড-১৯ মহামারির সময় বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বিভিন্ন হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন করা হলেও প্রকল্প শেষ হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক জনবল-সংকটের কারণে ১০টি জেলা হাসপাতালে আইসিইউ অকার্যকর হয়ে পড়ে। নতুন উদ্যোগে সেগুলো পুনরায় চালু করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে ৪২ জেলার ৭৪টি সরকারি হাসপাতালে ১ হাজার ৩৭২টি আইসিইউ বেড রয়েছে। তবে এখনো ২২ জেলায় কোনো আইসিইউ সুবিধা নেই। এর মধ্যে ঢাকায় ৫৫ শতাংশ আইসিইউ বেড কেন্দ্রীভূত।

সিএমএসডির পরিচালক মোহাম্মদ শফিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির উপপরিচালক ডা. তউহীদ আহমদ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. জাহিদ রায়হান, পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান, পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমীসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff