ওসমানীনগর প্রতিনিধি
ওসমানীনগরে প্রতিপক্ষের হামলায় আব্দুল কাইয়ুম (৩৫) ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সালমা বেগম (২৮) আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২৮ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের রাউৎখাই গ্রামের নিজ বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার পর আহত অবস্থায় অন্তঃসত্ত্বার সালমা বেগমকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার গর্ভপাত ঘটে। এ ঘটনায় ৫ জনকে এজাহারভূক্ত আসামি করে আব্দুল কাইয়ুম বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জানা যায়, উপজেলার রাউতখাই গ্রামের হারুন মিয়া ও তার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মোহন মিয়া গং সিএনজি অটোরিকশার টায়ার গোয়ালাবাজারে পৌঁছানো নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আব্দুল কাইয়ুমের বাড়িতে এসে হামলা চালায়। এসময় তাদের এলোপাতারি হামলায় আব্দুল কাইয়ুম ও তার অন্ত:স্বত্বা স্ত্রী সালমা বেগম আহত হন। এরপর আহতদের চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্ত ঈদুল ফিতরের ছুটি থাকায় ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসক না পেয়ে সালমাকে নিকবর্তী নিরাময় পলি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় তার ৩মাসের অন্ত:স্বত্বার স্ত্রীর গর্ভপাত ঘটে ।
আব্দুল কাইয়ুম বলেন, হারুন মিয়া ও তার ছেলে পুলিশ কনস্টেবল মোহন মিয়া,খলিল মিয়াসহ গ্রামের বেশ কয়েক জনের সাথে আমাদের বাড়ির রাস্তা নিয়ে এক মাস ধরে মনোমালিন্য চলছে। তারা আমাদের বাড়ির রাস্তা বন্ধ করে রেখেছে। ঘটনার দিন আওয়ামীলীগ নেতা খলিল মিয়ার পরামর্শে হারুন তার ছেলে ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী পুলিশ কনস্টেবল মোহন মিয়া সহ ৭/৮জন লোক পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা করে। হামলায় আমার স্ত্রীর ৩মাসের পেটের বাচ্ছা মারা গেছে। এরপূর্বে তারা গেল এক মাসে আমাদের পরিবারের উপর আরো ৩বার হামলা করেছে।
হারুন মিয়া বলেন, আমার ছেলে এবং ভাতিজা মারামারি করেছে। বিষয়টি সালিসে নিস্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম বলেন, রাউৎখাই গ্রামে মারামারির একটি অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।
Leave a Reply