জৈন্তাপুরে অপহরণের ১০ দিন পর উদ্ধার খাঁশিয়া কিশোরী, গ্রেফতার ১

জৈন্তাপুরে অপহরণের ১০ দিন পর উদ্ধার খাঁশিয়া কিশোরী, গ্রেফতার ১

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় খাঁশিয়া সম্প্রদায়ের এক কিশোরী অপহরণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ। একইসাথে অপহৃত ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে পুলিশ জানায়, উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী খাঁশিয়া সম্প্রদায়ের আবাসস্থল মোকামপুঞ্জি এলাকার বাসিন্দা ভিকটিম (১৭) গত ১৯ মার্চ ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে নিজ বাড়ির উঠান থেকে অপহরণের শিকার হন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় ভিকটিম রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সুযোগে সাদ্দাম হোসেন ইমন (২৮) সহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই তিনজন মিলে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক একটি সিএনজি গাড়িতে তুলে অপহরণ করে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের দিকে নিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় দুই সাক্ষী ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে সক্ষম হন। অভিযুক্ত প্রধান আসামি নিজপাট পানিয়ারাহাঁটি এলাকার ইব্রাহিম খলিলের পুত্র।

ঘটনার পর ভিকটিমকে খুঁজে না পেয়ে পরদিন ২০ মার্চ জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯১৬) দায়ের করা হয় । পরবর্তীতে অপহরণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন ভিকটিমের মা।

অভিযোগো পরিপ্রেক্ষিতে জৈন্তাপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক রাজন দেবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে রবিবার (২৯শে মার্চ) রাত ৮:৩০ মনে মিনিটে ভিকটিমকে ফেরিঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

পরে চলমান অভিযানে পরের দিন সোমবার সকাল ৭:৩০ মিনিটে প্রধান আসামি সাদ্দাম হোসেন ইমনকে উপজেলার মুক্তাপুর টিলাবাড়ি এলাকার কাশেম মিয়ার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা বলেন, আটক আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনপূর্বক পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.




© All rights reserved ©ekusheysylhet.com
Design BY DHAKA-HOST-BD
weeefff